,

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় এককপ্রার্থী ব্যারিষ্টার রাগীব রউফ চৌধুরী

সারা বাংলার ডেস্কঃ বাংলার সময় টুয়েন্টিফোর ডটকম: কুষ্টিয়া থেকে এস এম জামাল:- কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) সংসদীয় আসন। দুইটি উপজেলা নিয়ে গঠিত।

মিরপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা
এবং ভেড়ামারা উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।

এই আসনে মিরপুর উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা বেশি। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৫৮৬ জন। এদের মধ্যে মিরপুর উপজেলায় রয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৬ জন ভোটার এবং ভোড়ামারা উপজেলায় রয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৬০ জন ভোটার রয়েছে অথচ নেতারা এমপি হয় ভেড়ামারা উপজেলা থেকে এমন ক্ষোভ মিরপুরবাসীর।

গতকাল সকালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়ার ৪টি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল বলে ঘোষণা করেন। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য কুষ্টিয়ার ৪টি আসন থেকে ¯^তন্ত্র প্রার্থীসহ বিভিন্ন দলের ৪৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে কুষ্টিয়া ২(মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দেয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা জামায়াতের আমির আবদুল গফুর ও বশির আহমেদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা হয়। ফলে এই আসনের বিএনপি মনোনীত ব্যারিষ্টার রাগীব রউফ চৌধুরী এককভাবে এই উপজেলাবাসীর পক্ষে ভোট করার সুযোগ পাবেন। মিরপুর উপজেলার আছের আলী নামের এক কর্মী বলেন, মিরপুর উপজেলার ভোট নিয়েই ভেড়ামারার নেতারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়। অথচ মিরপুরে তেমন কোন নেতা না তৈরী হওয়ায় এ উপজেলা থেকে এমপি হতে পারনো। ফলে উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড থেকেও অনেকটা বঞ্চিত হতে হয় আমাদের।

ব্যরিষ্টার রাগীব রউফ চৌধুরীর বাবা আব্দুর রউফ চৌধুরী দেশ স্বাধীনে তার ভুমিকা ছিলো অপরিসীম।
রাজনীতিবিদ আব্দুর রউফ চৌধুরী ছিলেন নির্লোভ, সৎ ও সাদাসিদে জীবন যাপনকারী একজন মানুষ। তিনি যেমনি ছিলেন সৎ, কর্মঠ আবার তেমনী তিনি ছিলেন সাহসী। তিনি দুইবারের এমপি থাকাকালিন সময়ে এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন। বাবার পথ ধরেই হাটতে চান তিনি।

আসন্ন নির্বাচনে আসনের ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এই নিবার্চনে অংশ নেওয়া ব্যারিষ্টার রাগীব রউফ চৌধুরী জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দফতর সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি বলেন, আমার বাবা তার জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত মানুষের কল্যানে কাজ করেছেন। আমিও আমার বাবার মতোই দলীয় সংকীর্নতাকে উর্দ্ধে রেখে কিভাবে এলাকার উন্নয়ন করা যায় সেই চিন্তা করবো। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে আমি এই আসনের মানুষের জন্য কাজ করবো, উন্নয়নের জন্য কাজ করারও আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা