,

কুষ্টিয়ার ত্রিমোহনী’তে অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিনের ধানের শীষের পক্ষে উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলা সময় টোয়েন্টিফোর ডটকম আবু তালহা রাসেল,স্টাফ রিপোর্টার:- কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন গতকাল সোমবার বিকালে কুষ্টিয়া শহরতলীর ত্রিমোহনী এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করেন।

অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন বলেন, গণতন্ত্র পুনরদ্ধার ও আপনাদের মূল্যবান ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরিয়ে আনতে আমরা নির্বাচনে এসেছি। এই নির্বাচন অধিকার প্রতিষ্ঠার নির্বাচন। আপনারা আপনাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে যাবেন ভোট কেন্দ্রে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের সংবিধানে জনগণ এ দেশের মালিক। আপনারা আপনাদের গণতন্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে ধানের শীষে ভোট দিবেন। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় নির্বাচন তফসিল ঘোষণার পরেও কুষ্টিয়া সদরে ও গ্রামে কিছু কিছু এলাকায় ক্ষমতাসীনরা লাঠি মিছিল করছে। এমনকি তারা প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করছে কেউ যদি ধানের শীষে ভোট চাইতে আসে তাহলে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হবে বলেও হুমকি প্রদান করছে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।এমনকি অতি উৎসাহী প্রশাসনের কিছু কিছু কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত ক্ষমতাসীনদের পক্ষে কার্যকলাপ চালাচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার জন্য এগুলো বাধা। দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য আগামী নির্বাচনে নিরপেক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ অতএব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।

এছাড়াও তিনি আরো বলেন, আপনারা যাকে ভোট দিবেন সে আপনাদের প্রতিনিধি হয়ে দেশ ও মানুষের সেবা করবে। আজ এই ভোটারবিহীন সরকার আপনাদের ভোটাধিকার হনন করেছে। আপনারা আপনাদের মূল্যবান ভোট পছন্দের প্রার্থীকে দিতে পারেন নাই। এবার আমরা নির্বাচনে এসেছি আপনাদের এই মূল্যবান ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য। বর্তমান এই ভোটারবিহীন সরকার যদি আপনাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে না দেয় তাহলে আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে আপনাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনব। এই ভোটারবিহীন সরকার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে রেখেছে। সেই সাথে আমাদের নেতা তারুণ্যের প্রতীক তারেক রহমানকে একের পর এক ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে সাজা প্রদান করে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় এই ভোটারবিহীন সরকার ৯০ হাজারেরও বেশি গায়েবী মামলা দিয়ে লক্ষ লক্ষ বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের জেলে ভরে রেখেছে। আজ দেশে লক্ষ লক্ষ যুবকদের কর্মসস্থান নেই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আমরা আজ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। প্রয়োজন হলে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য গণতান্ত্রিক সংগ্রাম চালিয়ে যাব।

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা