,

‘ইউটিউবে নাটকের দর্শক বেশি’- অভিনেত্রী মুমতাহিনা টয়া

বিনোদন ডেস্ক : বাংলা সময় টোয়েন্টিফোর ডটকম :
সমু সাহা,বিশেষ প্রতিনিধি:- বাংলাদেশের মডেল ও অভিনেত্রী মুমতাহিনা টয়া । চ্যানেল আইয়ে প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘ভালোবাসার যৌথ খামার’। একই চ্যানেলে ১০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া রিয়েলিটি শো ‘গানের রাজা’র উপস্থাপনা করবেন তিনি। অভিনয়, উপস্থাপনা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয়

অভিনেত্রী মুমতাহিনা টয়া সঙ্গে-এ সময়ের অন্যান্য ধারাবাহিক নাটক থেকে ‘ভালোবাসার যৌথ খামার’ কতটা ব্যতিক্রমী?

‘ভালোবাসার যৌথ খামার’-এর গল্প সমসাময়িক অন্য নাটক থেকে কিছুটা হলেও আলাদা। এখানে কয়েকটি পরিবারের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। যে পরিবারগুলোর একটির সঙ্গে আরেকটির মিল নেই। এর সদস্যরা চিন্তা-চেতনায় একে অন্যের চেয়ে একেবারে আলাদা। যে কারণে একই মহল্লার একেকটি পরিবার বিচিত্র রকমের ঘটনা জন্ম দেয়। ভিন্ন ভিন্ন পরিবারের নানা ধরনের মানুষকে এ নাটকে দেখানো হলেও প্রতিটি চরিত্রেই দর্শক চেনা-জানা মানুষের ছায়া খুঁজে পাচ্ছেন। এমনকি শিশুদের চরিত্রগুলোও এ নাটকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

‘ভালোবাসার যৌথ খামার’ নাটকের ‘রূপা’ চরিত্রটি নিয়ে কি আপনার দর্শক প্রতিক্রিয়া জানার সুযোগ হয়েছে?

পরিচিত যারা এ নাটকটি দেখেছেন, তাদের অনেকের রূপার পাশাপাশি অন্য চরিত্রগুলো বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়েছে। তাদের কথায়, কোনো চরিত্রের অভিনয় অতিরঞ্জিত মনে হয়নি। এত নাটকের ভিড়ে কোনো নাটকের গল্প ও চরিত্রের কথা আলাদাভাবে শুনতে পাওয়া সত্যিই আনন্দের।

অভিনয়ের আগে আপনার আগের নাটকগুলোর চরিত্র থেকে রূপা কতটা আলাদা মনে হয়েছে?

গল্পের কারণেই রূপা চরিত্রটি গুরুত্ব পেয়েছে। যখন স্ট্ক্রিপ্ট পড়ি তখনই মনে হয়েছিল, রূপা চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নিজেকে নতুনরূপে তুলে ধরার সুযোগ পাব। এখন সেই অনুমান সত্যি বলেই প্রমাণিত হয়েছে। যে জন্য নাটকে দর্শক দেখতে পাচ্ছেন, বারোটি পরিবারের নানা ধরনের মানুষের ভিড়ে কীভাবে রূপা সবার মধ্যমণি হয়ে উঠেছে। রূপা সুখে-দুঃখে সবার পাশে থাকার চেষ্টা করে। সবাইকে হাসি-আনন্দে মাতিয়ে রাখে। এভাবেই রূপা চরিত্রটি আমার অন্যান্য নাটক থেকে আলাদা হয়ে উঠেছে।

‘গানের রাজা’ রিয়েলিটি শোতে আপনি উপস্থাপনা করবেন, কাজটা চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে না?

কখনোই এ কাজটি চ্যালেঞ্জিং মনে হয়নি। কারণ এর আগেও চ্যানেল আইয়ের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেছি। যেহেতু ‘গানের রাজা’ শিশুদের প্রতিযোগিতামূলক গানের আয়োজন, তাই উপস্থাপনাও আনন্দের হবে বলেই মনে করছি। শিশুদের প্রতি এক ধরনের ভালো লাগা সব সময়ই ছিল, এখনও আছে। এ জন্য শিশুদের রিয়েলিটির শোতে উপস্থাপনার প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়েছি।

ইউটিউব ভিউয়ের মাধ্যমে অনেকে এখন নাটক, টেলিছবি, মিউজিক ভিডিওর মান ও জনপ্রিয়তার মূল্যায়ন করছেন। এ বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?

আগে মানুষ কিন্তু টিভিতেই নাটক দেখতেন। টিভিতে মাত্রাতিরিক্ত বিজ্ঞাপনচিত্র প্রচারের কারণে সিডি কিনে সবাই দেখতেন। এখন সময়ের পরিবর্তনে দেখার মাধ্যমগুলোর পরিবর্তন হয়েছে। ফলে ইউটিউবে নাটকের দর্শক বেশি। দর্শকের কাছে কাজটি অন্তত পৌঁছাতে পারছে। এতে করে কিন্তু আমরা শিল্পীরা বেশি লাভবান হচ্ছি। কারণ আমাদের কাজগুলো দর্শক দেখতে পারছেন। মোটকথা হলো আমরা কিন্তু কাজ করছি দর্শকদের জন্য। যদি দর্শক আমাদের কাজগুলো না-ই দেখেন, তাহলে কাজ করে কী লাভ? ইউটিউবের কল্যাণে দর্শকদের কাছ থেকে বেশ সাড়া মিলছে। কিন্তু আজকাল অনেকেই বুস্ট করে ভিউ হিসাব করে। সেটি আসলে উচিত নয়। ভিউ বাড়লেই যে নাটকের মান বাড়বে, তাও ঠিক নয়।

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা