,

কুমারখালীতে ওসি মিজানুর রহমানের যুগান্তকারী পদক্ষেপে ৭ বছরের সমস্যা নিরসন

সারা বাংলা ডেস্ক : বাংলা সময় টোয়েন্টিফোর ডটকম; কুমারখালী থেকে লিপু খন্দকার :- কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পৌর এলাকার বাটিকামারা গ্রামের মোঃ বেলাল উদ্দিনের সাথে লাবিব এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মোঃ শরিফুল ইসলাম লিটনের ব্যাংক ঋনের ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং দীর্ঘদিনের অনাদায় কৃত ভাড়ার সমস্যা নিরসনে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

বেলাল উদ্দিনের ভাষ্য মতে, ২০১১ সালে তার পূর্ব পরিচিত এবং ঘনিষ্টজন হবার সুবাদে লাবিব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী লিটন তার ৬ বিঘা জমি মর্টগেজ রেখে ২০ লাখ টাকা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের নিকট থেকে ঋন গ্রহণ করে। ঋন গ্রহণের পর হতে ৬ লাখ টাকা পরিশোধ করার পর ব্যবসা মন্দার কারনে দীর্ঘ সময় ব্যাংকের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ব্যাংক একাধিকবার আল্টিমেটাম দেবার পরও ঋনের টাকা পরিশোধ না করার করনে ১৪ লাখ টাকা সুদে আসলে ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় রুপান্তরিত হয়। ব্যাংক শরিফুল ইসলাম লিটনকে ১ নং এবং বেলাল উদ্দিনকে ২নং আসামী করে মামলা দায়ের করে। উল্লেখিত বিষয় নিয়ে একাধিকবার বিগত ওসি মোঃ আব্দুল খালেক, পৌরসভার কাউন্সিলর এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দেনদরবার করলেও বিষয়টি নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়না।

ব্যাংক ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকার অর্থ ঋন মামলায় শরিফুল ইসলাম লিটনকে ১ নং আসামি এবং মোঃ বেলাল উদ্দিনকে ২ নং আসামি করে মামলা দায়ের ও উভয়ের বিরুদ্ধে ৪২০ ধারায় মামলা দায়ের করে। দায়েরকৃত মামলায় শরিফুল ইসলাম লিটন ১ বছরের সাজা প্রাপ্ত হয় কিন্তু কোর্টে হাজির না হবার কারনে তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হবার কয়েক মাস পর কুমারখালী থানার বর্তমান ওসি মোঃ মিজানুর রহমান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৬ নভেম্বর লিটনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

এদিকে বেলাল উদ্দিন দাবী করে লিটনের নিকট তার ৭ বছরের ভাড়া পাওনা ৪ লাখ টাকা। লিটন হোসেন জেলহাজতে থাকাকালীন সময়ে আজ ৩ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে বিপ্লব ও নিপু কুমারখালী এসে লাবিব এন্টারপ্রাইজের কারখানায় তাদের মুল্যবান মেশিনারীজ আছে দাবী করে এবং ডকুমেন্টস সাবমিট করার পর কুমারখালী থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমান,ব্যাংক কর্মকর্তা, পৌরসভার কাউন্সিলর মোঃ মাহাবুব আলম বাবু, এস এম রফিক, মোঃ আনিসুর রহমান, মোঃ তুহিন শেখ, কাঙাল হরিনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি কে এম আর শাহিন, সাধারণ সম্পাদক লিপু খন্দকার, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আসিফ টিপু, মোঃ মজিবর রহমান বাচ্চু এ্যাডভোকেট জয়দেব কুমার বিশ্বাস সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ঢাকা থেকে আগত ব্যক্তিদের দাবী কৃত মেশিনারীজ ফেরত এবং ৬ মাসের মধ্যে ব্যাংক ঋনের টাকা পরিশোধ করার শর্তে তিনশত টাকার ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানো হয়। প্রথম পক্ষ হিসাবে স্বাক্ষর করেন মোঃ বেলাল উদ্দিন এবং দ্বিতীয় পক্ষে স্বাক্ষর করেন শরিফুল ইসলাম লিটনের পার্টনার, স্ত্রী, ভাই ও শশুড় ১| নিপু ২| লাবনী ইসলাম ( লাভলী) ৩| রিপন ৪| মোঃ মজিবর রহমান। এবং স্বাক্ষী হিসাবে মেশিনারীজ দাবীকারী বিপ্লব, স্থানীয় সাংবাদিক, পৌরসভার কাউন্সিলর এবং গণ্য মান্য ব্যক্তিবর্গ স্বাক্ষর করেন।

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা