,

মোঃ মহি উদ্দিন খোকনের কবিতা ” নদী কুলের চাষা “

” নদী কুলের চাষা “

 

নদীর কুলে চাষার ঘর, বসত তাদের জনমভর,
সু সময় আর দুঃসময়, বাঁচার আশা সবসময়।
বর্ষা কালে নদীর জল, ভাঙে চাষার মনোবল,
হারায় চাষা সব আশা, মলিন হয় সব প্রত্যশা।

ভাঙে নদী চাষার ঘর, একদিন নদী হবে চর,
নদী যখন কূলনাশী, হারায় চাষা তার হাসি।
অভাব চাষার নদীর কুলে, খুশি থাকে নিত্য ভুলে,
চাষার জীবন সুখের নয়, তাইতো দুঃখ নিত্য সয়।

অাজ নদীর দেখ বাহার, রূপ যৌবন পূর্ণ তাহার,
চাষার সাথে কিসের আড়ি, চাষা কি তোর যায়রে বাড়ি!।
নিসনা দুঃখী চাষার ঘর, কেন চাষার হলে পর,
ফসল ফলানো চাষার পেশা, কেন তার ভুলাস দিশা।

তোর রূপের শিল্পী চাষা, বুঝিস চাষার মনের ভাষা!?।
চাষার কেমনে ভুলবে ঋণ, অভিশপ্ত তুই চিরদিন।
দুঃখী চাষা কর্ম করে, বোঝা হয়না কারোর তরে,
চাষার দুঃখে দুখি হও, প্রভূর কাছে ভাল রও।

ভেঙ্গোনা গরীব চাষার মন, অভাবী চাষা অাজীবন,
ভাঙ্গলে চাষার বাড়ি ঘর, তুমিও হবে চাষার পর।
সবুজ মাঠে দেখ চাষা, নিত্য করে যাওয়া অাসা।
ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলায়, মানব জাতির ক্ষুধা ভোলায়।

হয়না চাষার একটু সুখ, ভবে চাষার রইবে দুঃখ,
নিয়েছি গরীব চাষার পক্ষ, ঠাঁয় দিয়েছি নিজের বক্ষ।
আসবে চাষার লাঙল তলে, এমন ভাষ্য গুণীজন বলে,
চাষার একদিন হবে জয়,সে দিন তেমন দূরে নয়।

লেখক- মোঃ মহি উদ্দিন খোকন ।
**রচনাকাল ০৮/০১/২০১৮ খ্রিঃ।**

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা