,

ময়মনসিংহে চাঁদাবাজ আতংক ব্যপক !

সারা বাংলা ডেস্ক,বাংলা সময় টুয়েন্টিফোর ডটকম, স্টাফ রিপোটার, ময়মনসিংহ থেকে বদরুল আমিন : ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন মহল্লায় স্থানীয় সন্ত্রাসীরা নিজ নিজ বাহিনী গঠন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জমি ক্রয় বিক্রয়ে, বাসাবাড়ি নির্মান কাজ থেকে, কিংবা ভিত্তশালী ব্যক্তিদের কাছ তেকে কারনে অকারনে চাঁদাবাজির বহু অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরের পুরাতন ২১ টি ওয়ার্ডে বিভিন্ন মহল্লায় প্রায় অর্ধশত এধরনের সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে। এদের দল নেতাদের নামে রয়েছে হাফ ডজন থেকে এক ডজন মামলা। এরা রাজনৈতিক কোননা কোন বড় ভাইয়ের আর্শিবাদ পুষ্ট। অবাক করা বিষয় যে কাচারী ঘাট বানিজ্য মেলা থেকে বড় ভাইয়ের আর্শিবাদ পুষ্ট এক সন্ত্রাসী ২৮ লাখ টাকা চাদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এতো টাকা নেয়ার পরও মেলা শেষে স্টলধারীদের মালামার নিতে বাঁধা গ্রস্থ করে।

ময়মনসিংহ শহরের ২১ ওয়ার্ডের জমির মূল্য চড়া। যেকোন ওয়ার্ডে জমি কেনা বেচা হলেই স্ব-এলাকার আধিপত্য বিস্থারকারি সন্ত্রাসীদের মোটা অংকের টাকা চাঁদা দিতে হবে! এরা ভূমি ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় পরে কাছ থেকে চাঁদা নেয়। চাঁদা নাপেলে জমি ক্রয়বিক্রয় বন্ধ করে দেয়। মোটা অংকের টাকা চাঁদা দিয়ে জমি ক্রয় বিক্রয় পর্ব শেষ হলে সন্ত্রাসীদের পরবর্তী টার্গেট বাড়ি বানানোর সময় চাঁদাবাজী করা। শুধু ব্যক্তি মালিকানা জমিই নয়? নদীর পাড়, থানার ঘাট বস্তি, কালিবাড়ি ঘাট বস্তি এলাকায় সরকারী জমির দখল বিক্রী করে কামিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। ফলে বেহাত হওয়া সরকারি সম্পত্তি নিয়ন্ত্রনে সরকারকে বা স্থানীয় প্রশাসনকে নানাবিধ জামেলা। সরকার তথা প্রশাসন মাদক ব্যবসায়ীদের বিরোদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন।

কিন্তু প্রতি মহল্লায় বড়ভাইদের আর্শিবাদ পুষ্ট সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারি সংস্থা কঠিন পদপে না নেয়ায় এদের অত্যাচারে প্রতিটি মহল্লার মানুষ অতিষ্ট। আর সব সময় থাকে আতংকিত। এরা রাজনৈতিক কোননা কোন বড় ভাইয়ের আর্শিবাদ পুষ্ট। অবাক করা বিষয় যে কাচারী ঘাট বানিজ্য মেলা থেকে বড় ভাইয়ের আর্শিবাদ পুষ্ট এক সন্ত্রাসী ২৮ লাখ টাকা চাদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এতো টাকা নেয়ার পরও মেলা শেষে স্টলধারীদের মালামার নিতে বাঁধা গ্রস্থ করে। এ সকল সন্ত্রাসীদের নামে হাফ ডজনের উপরে মামলা রয়েছে। অনেক ভুক্তভোগী নির্যাতিত হয়ে বা চাঁদা দিয়ে নীরবে সহ্য করে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থার এস আই কমল বাবুর বাসা থেকে চুরি হওয়া আগ্নেয়াস্রটি, সে এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসীর হাতে রয়েছে। স্থানীয়রা এমন তথ্যই দিয়ে থাকেন। কেউবা যায়নামাজে বসে আল্লাহর দরবারে বিচার প্রার্থী হচ্ছেন।

সম্প্রতি গোহাইল কান্দির মোঃ লুৎফুন কবির মির্জা সোহাগ স্থানীয় এক সাংবাদিককে সাথে নিয়ে বিভিন্ন সাংবাদিকদের জানান, তিনি তার ভায়রা ডাঃ এনাম আহম্মেদ বাসার কাজ করাতে গিয়ে চাঁদাবাজদের কবলে পড়েছেন। আড়াই লাখ টাকা চাঁদা নেয়ার পর সন্ত্রাসীরা আরো ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। পরে তিনি স্থানীয় এক সাংবাদিকের সহায়তায় থানা ও ডিবি পুলিশের আশ্রয় নিয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলা নং ৫১ তাং ১৪/২/২০১৯ ইং। ধারা ১৪৩, ৩৮৫, ৩৮৬ ও ৫০৬(।।)। এ মামলায় পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছেন। অপরাপর আসামী পলাতক রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বাংলা সময় টুয়েন্টিফোর ডটকম

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা