,

ভুটানকে হারিয়ে সাফ-চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিতে লাল সবুজের বাংলাদেশ

খেলাধূলা ডেস্কঃ বাংলাসময় টোয়েন্টিফোর ডটকম:
মহন ইসলাম :-দারুন খেলে গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মিলল কাঙ্ক্ষিত গোল। শেষ দিকে দারুণএক গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করলেন সাবিনা খাতুন। ভুটানকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমি-ফাইনালে উঠে গেল বাংলাদেশ।

গত বৃহস্পতিবার নেপালের বিরাটনগরের শহীদ রঙ্গসালা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ভুটানকে ২-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ। সাফে এ নিয়ে ভুটানের বিপক্ষে তৃতীয় এবং সব মিলিয়ে অষ্টম জয় পেল বাংলাদেশ। টানা দুই হারে গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গেলো ভুটান। নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক নেপালের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছিল তারা। বাংলাদেশের জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতে নেপালেরও সেরা চারে খেলা নিশ্চিত হয়েছে।

আগামী শনিবার ‘এ’ গ্রুপের সেরা হওয়ার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে এই দুই দল। গোলশূন্য প্রথমার্ধে শুরু থেকে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে খেলতে থাকা বাংলাদেশ প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে তেমন কোনো পরীক্ষা নিতে পারেনি।

ষষ্ঠ মিনিটে মারিয়া মান্ডার শট গোলরক্ষকের গ্লাভসে জমে যায়। একাদশ মিনিটে দারুণসুযোগ নষ্ট করেন সিরাত জাহান স্বপ্না। আঁখি খাতুনের লম্বা করে বাড়ানো বল গোলমুখে পেয়ে যান স্বপ্না। কিন্তু আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে লক্ষ্যভেদ করতে গিয়ে ক্রসবারের ওপর দিয়ে মারেন তিনি।

প্রচণ্ড গরমের কারণে কুলিং ব্রেকের পর ৩০তম মিনিটে সাবিনা খাতুনের দূরপাল্লার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ছয় মিনিট পর গোলরক্ষক বরাবর শট নিয়ে হতাশা বাড়ান এই ফরোয়ার্ড। ৪১তম মিনিটে শামসুন্নাহারের বাড়ানো বলে মিশরাত জাহান মৌসুমীর শট জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোল হয়নি।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কাঙ্ক্ষিত গোল পায় প্রতিযোগিতার রানার্সআপ বাংলাদেশ। মনিকা চাকমার কর্নারে ডি-বক্সে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড় হেড করার পর জটলার মধ্য থেকে জাল খুঁজে নেন মৌসুমী। সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠা ভুটানের ভালো একটি সুযোগ নষ্ট হয় সতীর্থের কর্নারে ইডোন দর্জির শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।

আবার ৮২তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়নি সঙ্গিতা মনগেরের দৃঢ়তায়। বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা শামসুন্নাহারের ক্রস থেকে পাওয়া বল তহুরা খাতুন বাড়ান স্বপ্নাকে। গত সাফে পাঁচ গোল করা এই ফরোয়ার্ডের শট ঝাঁপিয়ে পড়ে ফেরান গোলরক্ষক।

তার তিন মিনিট পর সাবিনার একক প্রচেষ্টার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেয় বাংলাদেশ। বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন গত সাফে ছয় গোল করা এই ফরোয়ার্ড।

যোগ করা সময়ে শিউলি আজিমের বাড়ানো বলে তহুরার নেওয়া শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। ২০১০ সালের প্রথম আসরে নিজেদের মাঠে ভুটানকে ৯-০ গোলে উড়িয়ে সাফে নিজেদের সবচেয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছিল লাল সবুজের বাংলাদেশ।

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা