,

কুষ্টিয়ায় হুমকিতে হরিপুরের অর্ধলক্ষাধিক বাসিন্দারা!!!

কুষ্টিয়া হরিপুরে প্রকাশ্যে দিবালোকে চলছে হরিপুর রক্ষা গড়াই নদীর চরের বালি কাটা

সারা বাংলা সময় ডেস্ক, বাংলা সময় টুয়েন্টিফোর ডটকম, কুষ্টিয়া থেকে-এস আই সুমন : কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের ফুলতলা গড়াই নদীর চরে সকল নিয়মনীতি আর আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে চলছে বালু কাটার মহা উৎসব। কিছুদিন আগেও রাতের আধারে বালু কেটে ট্রলি ভর্তি করে বালু বিক্রি চলতে ছিলো। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই সেই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে কতিপয় কিছু স্বার্থবাদী ব্যক্তিদের স্বার্থ ও অর্থ হাসিলের একমাত্র মাধ্যম হয়ে উঠেছে হরিপুর রক্ষা গড়াই নদীর চর। সেই কতিপয় ব্যক্তি গুলোকে নিয়ে একটা সিন্ডিকেট শুরু হয়েছে এই হরিপুর রক্ষা গড়াই নদীর চর ঘিরেই। এলাকাবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কতিপয় ব্যক্তিরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সকল মহলকে অর্থের বিনিময়ে খুশি করে এই ধরণের অপকর্ম শুরু করেছে। তাদের দাবী এই ভাবে হরিপুর রক্ষা গড়াই নদীর চর কেটে ফেলা হলে খুব শীঘ্রই নদীতে পানি বাড়লে তথা ভরা মৌসুমে নদীতে পানির স্রোতে চরে ভাঙ্গন শুরু হলে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক বাসিন্দাদের নিয়ে গড়ে উঠা জনপদ হুমকিতে পড়ে যাবে। তারা অভিযোগ করে বলেন ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি এই গড়াই নদীর চর হরিপুর রক্ষা বাঁধ হিসেবে কাজ করছে, এই বাঁধ পুরো হরিপুর বাসীকে রক্ষা করে।

সরেজমিনে পরিদর্শন করলে দেখা যায় যে, প্রতিদিন শত শত ট্রলিতে করে দিন রাত ব্যাপী চলে বালু কাটার হিড়িক। নাম না প্রকাশ্যের শর্তে একজন ট্রলির ড্রাইভার জানান, এই সিন্ডিকেট খুব শক্তিশালী প্রতি গাড়ি বালুর জন্য তাদেরকে ১০০টাকা করে দিতে হয়। আর এই টাকার ভাগ সবাই পায়। দীর্ঘদিন ধরে হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের সচেতন মানুষদের মাঝে এই বিষয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের দাবী কতিপয় স্বার্থবাদীরা হরিপুর রক্ষা গড়াই নদীর চরের বালু এভাবে কাটতে থাকলে খুব শীঘ্রই এটা হরিপুর বাসীদের জন্য বড় ধরনের হুমকিতে পরিণত হবে। হরিপুর গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। তাই উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোন প্রতিশ্রুতি নয় বাস্তবায়ন দেখতে চায় হরিপুরের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ।

বাংলা সময় টুয়েন্টিফোর ডটকম

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা