,

মেয়র হিসাবে ময়মনসিংহবাসীর প্রথম পছন্দ শান্ত

মেয়র হিসাবে ময়মনসিংহবাসীর প্রথম পছন্দ শান্ত

সারা বাংলা ডেস্ক,বাংলা সময় টুয়েন্টিফোর ডটকম, স্টাফ রিপোটার, ময়মনসিংহ থেকে বদরুল আমিন : মোহিত উর রহমান শান্ত আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রাথী হিসেবে সর্বাধিক আলোচিত একটি নাম। তিনি ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে বর্ষিয়ান নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এর সন্তান। পিতার আদর্শে একজন ছাত্রলীগ কর্মী হয়ে রাজনীতিতে যার অভিষেক। সেই কর্মী মানুষটি ধাপে ধাপে আজ ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বিগত সরকার বিরোধী ও জোট সরকারের আমলে ত্যাগ-তিতিক্ষা ও কারা-নির্যাতিত হয়ে তিনি আজ জনগণের পরীক্ষিত কাঙ্খিত সফল নেতা।

আজ-কাল দেখা যায় টাকা জোরে পদ পেয়ে কেউ কেউ নেতা হয়েই জন্মেছেন। তারা কর্মী হতে চান না! তাদের রাজনীতিতে নেই কোন ত্যাগ এবং হন নি কখনো নির্যাতিত। অথচ অনেকে জেলা ও মহানগরে অনেক পদ বাগিয়ে সহ-সভাপতির মত বড় বড় পদ দখল করে আছেন অর্থের জোরে। যা বঙ্গবন্ধুর আদশের্র পরিপন্থী! তৃণমূল থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না থেকেও হঠাৎ করে বড় রাজনৈতিক নেতা হয়েছেন!

রাজনীতিতে ব্যক্তিত্ব, চেতনা ও আদর্শ না থাকলে সেই নেতা জনপ্রতিনিধি হিসাবে বেমানান নয় কি? বতর্মান রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অভাব থাকায় রাজনীতিতে অনুপ্রবেশ ঘটেছে এবং পরীক্ষিত নেতাদের পরিবর্তে বিত্তশালী ব্যবসায়ীরা স্থান পেয়েছে বিভিন্ন কমিটিতে। তাদের সন্ত্রাস, অর্থ-সম্পদ, কালো টাকা ও পেশিশক্তির দাপটে সৎ, যোগ্য, মেধাবী, রাজনীতিবিদরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। যারা অর্থ ও পেশিশক্তির জোরে রাজনীতির মাঠ দখলের চেষ্টা চালিযে যাচ্ছেন তাদের কাছ থেকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের জনগণ ভাল জনসেবা আশা করতে পারে না। সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দ থাকলেও জনগণের আশা-আকাঙ্খা ও প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না। তারা অর্থের জোরে দলীয় মনোনয়ন পান এবং যার কারণে সাধারণ মানুষ প্রকৃতপক্ষে কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয় সাধারন মানুষ মনে করেন।

মোহিত উর শান্ত ছাত্রলীগ থেকে আওয়ামী লীগ দীর্ঘ পরীক্ষিত তার সংগ্রামময় জীবন। সাংগঠনিক দক্ষতা ও বঙ্গবন্ধু আদর্শে লালিত স্বপ্ন ধারনকারী ময়মনসিংহের সবচেয়ে জনপ্রিয় নতুন প্রজন্মের তরুণ নেতা। ময়মনসিংহ জনগণের প্রয়োজনে তাকে এগিয়ে যেতে হচ্ছে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়। আজাদ হত্যা মামলায় তাকে ফাঁসানো হয়েছিল। জেলা পর্যায়ের কতিপয় নেতা বিচার দাবীতে আজাদের স্ত্রীকে নিয়ে একই মঞ্চে বসে বিচার দাবী করেছিল। ব্যর্থ হয়ে কুচক্রী মহল কতিথ রনি অপহরনের নামে শান্তকে প্রধান আসামী করে একঠি জজ নাটক সাজিঁয়েছিল। যা ময়মনসিংহের বিচক্ষণ জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে ব্যর্থ হয় ।

তিনি নীতি ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি বলেই তাকে বারবার জেল, জুলুম ও নিযার্তন সহ্য করতে হয়েছে। নির্যাতিত গণমানুষের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর এই নেতা জনগণের যে কোন সমস্যা শোনেন ও আশু সমাধানও দেন। শান্ত সত্যিকার অর্থে খাঁটি দেশপ্রেমিক, তার রাজনৈতিক চেতনা ও আদর্শের কারনে সাধারন মানুষ তাকে ভালো বেসেছেন এবং তিনি তাদের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ। যার ডাকে হাজার হাজার জনতা যে কোন সমাবেশে সমাবেত হয় তার আবেগময় বক্তিতা শোনার অপেক্ষায়।

তিনি নীতি-আদর্শ চেতনার সঙ্গে কখনো আপোস করেন নি। রাজপথ কাঁপানো এই সফল নেতা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বববাসী। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে জননেত্রী শেখ হাসিনা হাতেকে শক্তিশালী করতে মোহিত উর রহমান শান্ত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের জনগণ সৎ, দেশপ্রেমিক, নীতি-আদর্শ চেতনার বিশ্বববাসী ও কারা নির্যাতিত পরীক্ষিত নেতা শান্তকে আগামী ৫ মে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী হিসাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এর সাধারন জনগণ ও ভোটারা অনুভব করছেন হৃদয় থেকে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা, ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিক উর রহমান শান্তই সিটি কর্পোরেশন এর প্রথম মেয়র হচ্ছেন।

জনমতের পুর্বাভাস যদি সত্য হয়- তবে ৫ মের পরদিন অর্থ্যাৎ সিটি মেয়র পদে নতুন নেতৃত্বের অভিষেক হবে এমন আলোচনাই চলছে ময়মনসিংহ নগর জুড়ে। যে নেতৃত্ব ময়মনসিংহের আগামী নগরকে একটি আধুনিক উন্নত নগরে পরিনত করতে বদ্ধপরিকর। ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত সে পরির্বতন সুচনা করতে সমর্থ বলে মনে করে নগরবাসী।

এগিয়ে যাবে ময়মনসিংহ। এগিয়ে যাবে ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগ। ময়মনসিংহকে এগিয়ে নিতে তাই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে সাংগঠনিকভাবে দলকে শক্তিশালী করে দলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জাতীয় নির্বাচনে নিজ যোগ্যতার প্রমান রেখেছেন তিনি।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নবীন-প্রবীনদের লবিং চলছে। রাজনৈতিক বোদ্ধারা প্লাস-মাইনাস হিসাব কষে দেখছেন ময়মনসিংহ মহানগরে-এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।’

জনমত বলছে- ময়মনসিংহে এখন সময় শান্ত’র। অনিরুদ্ধ। ফ্যাক্টর তিনিই। যোগ্য তিনি, জনপ্রিয় তিনি আবার প্রতিপক্ষের একমাত্র টার্গেটও তিনি।

জনপ্রত্যাশা হচ্ছে শান্তই যেন আসেন নগর উন্নয়ন নেতৃত্বে। রাজনীতিতে তার সাথে নেতৃত্বের প্রতিদ্বন্দিতায় স্বাভাবিকভাবেই কেউ কেউ থাকবেন। তবে, শান্ত’র সমর্থকরা তার জনপ্রিয়তাকে এতোটাই আনপ্যারালাল মাত্রায় নিয়ে গেছেন যে বয়সে কম হলেও তাকেই মানুষ ধরে নিচ্ছে পরবরর্তী মেয়র হিসেবে। তাই আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে তিনি।

নগরবাসী ময়মনসিংহের পরবর্তী মেয়র হিসেবে যার সম্ভাবনার কথা একবাক্যে স্বীকার করেন তিনি মোহিত উর রহমান শান্ত। এটা জনগণের স্বতঃস্ফুর্ত মনের কথা। একেই ব্যাখ্যা করা যায়- ‘জনপ্রত্যাশিত পপুলার নেতা। মহানগর আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা অর্থ্যাৎ তৃনমূল যাকে পছন্দ করে তিনি শান্ত। ’

সূত্রমতে- ‘মানুষ যখন শান্তকে পছন্দ করে ,সমর্থন করে তখন আর কোন নেতার নাম মনে রাখে না।’

মহানগর আওয়ামী লীগে তৃণমূলে ভোট হলে মোহিত উর রহমান শান্ত মেয়র পদে বিজয়ী হবেন। জনমত এটাই। তার অবিশ্বাস্য জনপ্রিয়তার রহস্য তিনি আওয়ামী লীগের শান্ত। এ জনপদের মাটি ও মানুষের সন্তান।

জনগণের হৃদয় থেকে উঠে আসা এই ধারণা কোন আবেগ নয়!!

বাংলা সময় টুয়েন্টিফোর ডটকম

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা