,

এক মন – কখনও শঙ্খচিলের বেশে ডানা মেলে উড়ে

এক মন – কখনও শঙ্খচিলের বেশে ডানা মেলে উড়ে

____হাসনাহেনা রানু

তোমার আকাশে আমি রাত জাগা
শুকতারা হয়ে ফুটে আছি
শত বছর ধরে,
কখনও শঙ্খচিলের বেশে
ডানা মেলে উড়ে গেছি
দূরের দেশে,
আমি আকাশের বুক থেকে
তুলে নিতে পারি
চিল মেঘ ডানার এক মুঠো সোনালি
স্বপ্ন কুসুম ;
আমি খসাতে পারি নীল আঁচল
জানি খুব কাছেই আছো তুমি
তবু মনে হয় কত দূরের !
চাপাবনে জ্যোৎস্না হয়ে ফুটেছো
রজনীগন্ধার ছড়ায় ছড়ায়,

আকাশ, সমুদ্র..
চাঁদের পাহাড় মেঘতিকা নীলিমার স্তরে
বাঁধা পড়ে আছে
যেনবা সীমাহীন নীল কষ্টের ঢেউ ক্রমাগত
দু’ হাতে ভাঙ্গছে,
এক কষ্ট সমুদ্র সাঁতরিয়ে আমি বিষাদের
পৃথিবী দেব পাড়ি,
আমি সাদা বরফের স্রোত ভাঙ্গছি দ্রুত ;

তুমি আকাশ
নোনা সমুদ্র,
পৃথিবী পড়ছ আমার
চোখের তারায় ——
জান তো, পরশ পাথর ও গলতে চাই
ভালবাসার উত্তাপে,
কাল ছিল সাদা পূর্ণিমা রাত
আমার চোখ ভিজেছিল ধূসর মেঘের
সাদা বৃষ্টিতে,
দৃষ্টি ছিল ঝাপসা কাঁপছিল থির থির !
তুমি মিছেই গোলাপ খোঁজ আমার মুখে
জান তো, কষ্টে জর্জরিত হয়ে এক ফালি
দুঃখরা আজ ও বেঁচে আছে আমার চোখে —
গোলাপ কাঁটা হয়ে,
এ চোখে আকাশ ঘুমায়,
আর কত রাত জেগে জেগে চাঁদ নীল আকাশকে পাহারা দেবে?
তোমার আকাশে আমি
প্রেম সমুদ্র ভাসাব,
তুমি শ্রাবণ মেঘের জল ধারা হয়েছ
আমার চোখে ।
আমি চেয়েছিলাম বৃষ্টি রাতের
একটু ছোঁয়া,
সুখের নায়ে ভাসব বলে –
তোমার হাতের ছায়ায় ঘেরা
একটু মায়া :
ওদু’ টি হাত দাও না বাড়িয়ে
আমার তরে,
আমি হৃদ মাঝারে বন্ধু হব তোমার
শতবার ;
ছিঁড়ে শতবাঁধা,
চেয়েছি ব্যাকুল চোখের মায়ায় এক
পলক তোমায় দেখতে—
হায় রে !
আমার দিন কাটে না
রাত কাটে না…
ভাসছি আমি স্রোতের বিপরীতে
তুমি তৃষিত নিঃশ্বাসে, প্রশ্বাসের এক তৃষ্ণার্ত
নিবিড় মেঘ খন্ড,
কখনও শ্রাবণ মেঘে বৃষ্টি হয়ে ঝরো
কখনও নীল সমুদ্র হয়েই
জুড়াও আমার মন,
অশান্ত ঢেউ ভাঙ্গো তুমি আমার
সমুদ্র চোখে,
তুমি আছ আমার নিপাঠ দেহ পাঠের
সারা মন জুড়ে
এক মন ……….!!

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা