,

‘নোলক’ সিনেমায় কাহিনী’র শেষ কোথায় !!

বিনোদন ডেস্ক : বাংলা সময় টোয়েন্টিফোর ডটকম :
বিশেষ প্রতিনিধি:-‘নোলক’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান ও ববি।

বেশ ভালোভাবেই শুরু হয়েছিল ‘নোলক’। মৌলিক ও ভিন্নধর্মী গল্প, শাকিব-ববি জুটি, চিত্রায়নে চমকসহ নানা উদাহরণ টেনে পরিচালক-প্রযোজক দুজনই বলেছিলেন, আরেকটি ‘হিট ছবি’ আসছে। কিন্তু ছবির শুটিং বহু আগে শেষ হলে ‘কাড়াকাড়ি কাহিনী’র কারণে প্রেক্ষাগৃহে এখনো ঠাঁই হলো না ছবিটির। সেন্সরেই প্রদর্শন বাতিল হলো নোলকের। এর আগেও ঘটেছে নানা কাহিনী। তাইতো চলচ্চিত্র পাড়ায় বলাবলি হচ্ছে, এ কাহিনীর শেষ কোথায়?

মূলত পরিচালক পরিবর্তন নিয়ে ঘটে যত ঝামেলা। প্রায় গত একবছর ধরেই একই ইস্যুতে ছবিটি আলোচনায় এসেছে বহুবার। কোনোভাবেই এর সমাধান হচ্ছে না। চলচ্চিত্রের সংগঠনগুলো দফায় দফায় মিটিং করেও এর সমাধান দিতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। এই চলচ্চিত্রের পরিচালক কে হচ্ছেন? এই প্রশ্নের উত্তর না পাওয়ার আগেই প্রযোজক সাকিব সনেটের নামসহ সিনেমাটি সেন্সর বোর্ডে জমা দেয়া হয়। পরিচালক রাশেদ রাহা দাবি করেছেন ‘নোলক’ সিনেমার পরিচালক তিনিই। এরইমধ্যে এ দাবি করে বাংলাদেশ সেন্সর বোর্ডে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন তিনি। কিন্তু চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির আবেদনে ছবিটির সেন্সর প্রদর্শনী বাতিল করা হয়।’

এ প্রসঙ্গে প্রযোজক সাকিব সনেট বলেন, ‘ছবিটির শুরু থেকেই তিনি (রাশেদ) কথা মতো কাজ করেননি। উল্টো তিনি দেড় কোটি টাকা লোকসান করেছে। স্বাভাবিকভাবেই চুক্তিপত্র অনুযায়ী পরিচালক হিসেবে নিজের নাম দাবি করার অধিকার তিনি নিজেই হারিয়েছিলেন। এছাড়া এত কিছুর পরও শুধু নিজের নাম পরিচালক হিসেবে ব্যবহার করিনি আমি। নাম দিয়েছি সাকিব সনেট অ্যান্ড টিম।’

পরিচালক রাশেদ রাহা বলেন, ‘তার অভিযোগ বানোয়াট। যারা নিয়মিত এই সিনেমার খোঁজখবর রেখেছেন তারা জানেন। এটা আমার পরিচালিত সিনেমা। আমার সন্তান। আমি এটাতে কাউকে ভাগ বসাতে দিবো না।’

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন বলেন, ‘ছবিটি গোপনে সেন্সরে জমা দেওয়া হয়েছে, সেটা আমরা শুনেছি। এ ছবি নিয়ে কিছু জটিলতা ছিল। চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতি ও চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি দুজনকে ডেকে একটি প্রাথমিক সিদ্ধান্তও দেয়। সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে জমা দেওয়া হয়েছে। যেটা আশা করিনি। দেখি এর শেষটা কি হয়।’

২০১৭ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে টানা ২৮ দিন ভারতের হায়দ্রাবাদে ‘নোলক’ সিনেমার শুটিং করেন পরিচালক রাশেদ রাহা। শুটিং শেষে ইউনিট নিয়ে দেশে ফেরার পর পরিচালকের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয় প্রযোজকের সাথে। এরই জেরে পরের লট থেকে প্রযোজক সাকিব সনেট পরিচালক রাশেদ রাহাকে ছাড়াই শুটিং শুরু করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে অনেক সময় পার হয়ে যায়।

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা