,

ছয় জেলায় ৮ জনের মৃত্যু, আহত ৩২

ছয় জেলায় ৮ জনের মৃত্যু, আহত ৩২

সারা বাংলা ডেস্ক, বাংলা সময় টুয়েন্টিফোর ডটকম, ঢাকা অফিস : ঘূর্ণিঝড় ‘ফণীর’ প্রভাবে নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, বাগেরহাট, ভোলা, কুয়াকাটা ও বরগুনায় আটজন মারা গেছে। আহত হয়েছে অন্তত ৩২ জন। তবে সরকারি হিসেবে, মারা গেছে ৪ জন। আহত হয়েছেন ৬৩ জন। এছাড়া, ঝড়ে শত শত ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ও গাছপালা উপড়ে গেছে। বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বহু এলাকা।

শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই ঘূর্ণিঝড় ‘ফণীর’ প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। শনিবার সকালে সাতক্ষীরায় অবস্থানের সময় ফণীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ৬শ’ ঘরবাড়ি ও উপড়ে যায় বহু গাছপালা। বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে জেলার বেশ কিছু অঞ্চল।

ফণীর প্রভাবে চুয়াডাঙ্গায় ঝড়োহাওয়াসহ বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। জেলার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয় প্রায় ৩১ হাজার মানুষ।

বরগুনার পাথরঘাটায় শুক্রবার মধ্যরাতে ঘরচাপায় মারা যায় দাদি ও নাতনি। দমকা হাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপকূলীয় এলাকার শতাধিক ঘরবাড়ি ও গাছপালা।

ফণীর প্রভাবে ভোলায় ঘরচাপা পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। বিধ্বস্ত হয়েছে অন্তত অর্ধশত ঘরবাড়ি।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ঘরের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছে একজন। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্লাবিত হয়েছে চার উপজেলার সাতটি গ্রাম।

এছাড়া ফণীর কারণে নোয়াখালীতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাড়ে ৬শ’র বেশি ঘরবাড়ি।

লক্ষ্মীপুরে ঝড়ের সময় মারা গেছে এক বৃদ্ধা। ঝড়ে গাছপালা ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাগেরহাটে ঝড়ের কবলে পড়ে মৃত্যু হয়েছে একজনের।

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা