,

চুয়াডাঙ্গায় ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ

শিমুল রেজা চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনার মুক্তি ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। নিহত ওই মায়ের নাম সালমা খাতুন (৩০)। তিনি দামুড়হুদার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের নজর আলী স্ত্রী। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই ক্লিনিকে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে তালা।

নিহত প্রসূতির স্বামী নজর আলী জানান, আমার স্ত্রী সালমার প্রসব বেদনা উঠলে রোববার (১২ মে) তাকে দর্শনা মুক্তি ক্লিনিক ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর বিকালে ক্লিনিকের চিকিৎসক ডাক্তার সেলিমা আক্তার শিমু আমার স্ত্রীকে অস্ত্রপচার করেন। অস্ত্রপচারের ভূমিষ্ঠ হয় পুত্র সন্তান। নজর

আলীর অভিযোগ করে বলেন, অস্ত্রপচারের কিছুক্ষণ পরই সালমার প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। সে সময় ৪ ব্যাগ রক্ত রোগীর শরীরে দেওয়া হয়। পরে অবস্থান আরও অবনতি হলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে আমার স্ত্রীকে রাত দেড়টার দিকে কুষ্টিয়া হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। তাদের কথামত রাতেই কুষ্টিয়াতে নিয়ে ভর্তি করার পর সোমবার (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সালমা।

দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সুকুমার বিশ্বাস জানান,ওই প্রসূতির মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছালে দুপুরে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনরা। তারা সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালায় দর্শনার ওই মুক্তি ক্লিনিকে। এ সময় বিক্ষুব্ধরা ব্যাপক ভাঙচুর করে ক্লিনিকটিতে। পরে তালা ঝুলিয়ে বন্ধ করে দেয় ক্লিনিকটি। খবর পেয়ে পুলিশ ও পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। দর্শনা পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান জানান, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে নিহত প্রসূতির স্বজনরা বিক্ষুব্ধ হয়ে এ হামলা চালিয়েছে। এ ব্যাপারে মুক্তি ক্লিনিকের (অস্ত্রপচারকারী) চিকিৎসক ডা: সেলিমা আক্তার শিমুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা