,

গোবিন্দগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণের হোতা ভবঘুরে ‘‘সোহেল’’ আটক !!

সারা বাংলা ডেস্ক : বাংলা সময় টোয়েন্টিফোর ডটকম; উজ্জল হক প্রধান,গাইবান্ধা প্রতিনিধি :- গত ১২ মে/২০১৯ সন্ধ্যা অনুমান ০৬.৪০ ঘটিকায় ১১ বৎসরের এক কিশোরী দাদার সাথে ডাক্তার দেখানোর জন্য ফাঁসিতলা বাজারে যায়। ডাক্তার দেখানো শেষে ডাব বিক্রেতা দাদা, নাতনীকে কিছু সময়ের জন্য সুশীলের মুদি দোকানের সামনে রেখে ডাবের বাঁকী টাকা উঠানোর জন্য বাজারের ভিতর গেলে ঐ সুযোগে নরপিচাশ এমবি সোহেল আকন্দ(২১), পিতা-মোঃ সিরাজুল ইসলাম আকন্দ, মাতা-মোছাঃ শিউলী বেগম, সাং-ধাপাকান্দি/মাঠেরহাট, থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-বগুড়া কিশোরী মেয়েটির নিকট গিয়ে মাংস দিয়ে হোটেলে ভাত খাওয়ানোর লোভ দেখাইয়ে ফাঁসিতলা বাজারের পশ্চিম পার্শ্বে আশরাফুলের আখ ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে পড়নের কাপড় খুলে মেয়েটির যৌনাঙ্গে আঙ্গুল প্রবেশ করায়, এর পর ঐ নরপিচাশ মেয়েটিকে ধর্ষণ করার চেষ্টা চালালে মেয়েটি কান্নাকাটি করায় তাকে ছেড়ে দিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায়। এ ঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের হয়।

উপরোক্ত ঘটনার ৮/১০ দিন আগে হতে উক্ত আসামী সোহেল ফাঁসিতলা বাজারের রেশমী হোটেলে কাজ করত। ঐ ঘটনার পর সে ঐ হোটেল হতে মায়ামনি হোটেল, গোবিন্দগঞ্জে এসে কাজ নেয়। এরপর এখান হতে গত ইং ১৫/০৫/ ২০১৯ তারিখ বগুড়া বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে আর একটি হোটেলে কাজ করে। তথা হতে গত ইং ১৬/০৫/২০১৯ তারিখ রাত্রী অনুমান ১১.০০ টায় পুনরায় গোবিন্দগঞ্জ কাটাখালি হোটেলে এসে কাজ করার জন্য চেষ্টা করার সময় গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ উক্ত আসামীকে সোর্সের মাধ্যমে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে ভিকটিম উক্ত আসামীকে সনাক্ত করে এবং আসামী সোহেল ঘটনার কথা স্বীকার করে।
উল্লেখ্য যে, আসামী একজন ভবঘুরে প্রকৃতির। ঘটনার সময় আশে পাশের কেউ ভিকটিমকে আখ ক্ষেতে নিয়ে যেতে টের পায়নি। এমনকি ভিকটিমও তার নাম ঠিকানা বলিতে পারত না। পরবর্তীতে আসামী মায়ামনি হোটেলে কাজ করার সময় সিসি ক্যামেরার ফুটেজের ছবি দেখে সনাক্তপূর্বক গোবিন্দগঞ্জ থানার পার্শ্ববর্তী কয়েকটি উপজেলায় অভিযান ও তল্লাশী চালিয়ে শেষে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা গেইটে অবস্থিত কাটাখালী হোটেল হতে গ্রেফতার করা হয়।

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা