,

কুষ্টিয়াতে ঠিকাদারের গাফিলতিতে ১ বছরেও শেষ হয়নি কাস্টম মোড় সড়ক উন্নয়ন কাজ

কুষ্টিয়াতে ঠিকাদারের গাফিলতিতে ১ বছরেও শেষ হয়নি কাস্টম মোড় সড়ক উন্নয়ন কাজ

এস,এম,রাসেল হাসানঃ আধা কিলোমিটারের মত সামান্য কাজ গত এক বছরেও শেষ না হওয়ায় হতাশ চৌড়হাস কাস্টম মোড়বাসি।গত এক বছর কাস্টম মোড় সড়ক’র বাসিন্দারা অসহায় হয়ে পড়েছেন শুধুমাত্র ঠিকাদারের কাছে।এই সড়কের নাম শুনলে কোন রিক্সা বা অটো যেতে চাইনা। কয়েকজন গেলেও ভাড়া হাকান দিগুন। এই সড়কের বাসিন্দাদের অসুখ বিশুখ হলে কুষ্টিয়া হাপাতালে নিতে চরম ভোগান্তিতে পারতে হয়, বাধে জ্বালা তখন মনে হয় মড়ার উপর খাড়ার ঘা এই সড়কটি।সরোজমিনে দেখাযায়, কাস্টম মোড় সড়কের মুখের কাজ এবং মাঝে তিন জায়গায় খন্ড খন্ড ভাবে ঢালায় না করেই চলে যায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। আর এই কাজ না করা জায়গুলো বিশফোঁড়া হয়ে দাড়িয়েছে অত্র সড়কের বাসিন্দাদের।

এই বিষয়ে ঠিকাদার হাজ্বী নুরুল হক এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, “দুই এক দিনের মধ্যেই বাকী কাজ শুরু করবো।”ঘটনার বিবরনে জানাযায়,গত বছর (জুন ২০১৮ ইং) তে কু্ষ্টিয়া পৌরসভার উন্নয়নের অংশ হিসেবে পৌরসভার ১৯ নং ওয়ার্ড ভুক্ত কাস্টম মোড় সড়কের আরসিসি ঢালায় রাস্তা ও ড্রেন নির্মান কাজ শুরু হয়।প্রথমে মানুষ আশান্নিত হলেও সময়ের পরিক্রমায় আস্তে আস্তে এলাকাবাসি হতাশায় ডুবে যায়।রাস্তা ও ড্রেনের কাজ এতটায় নিম্ন মানের হয় যা দেখে মানুষের আক্কেল গুড়ুম হয়।তখন কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে পৌরসবা কর্তৃপক্ষ একটু নরেচড়ে বসলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।এলাকাবাসি অভিযোগ করেন, ইন্জিনিয়ার সাজ্জাত হোসেন তার কেরামতিতে রাস্তাটির ১২ টা বাজিয়েছেন।ঐ সড়কে রাস্তা ও ড্রেনে কতটা নিম্ন মানের কাজ হয়েছে তা বলে বোঝানো যাবেনা বলে জানান রহিদুল নামে এক বাসিন্দা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, এই সড়কের দায়িত্ব পালন করেন অত্র এলাকার বাসিন্দা ইন্জিনিয়ার সাজ্জাত হোসেন।

কিন্তু তিনি তার নিজ এলাকার সড়কেও দুর্নীতি করেন।সড়কের মাঝে কয়েকটি কালভাট থাকলেও তিনটি কালভাটের ডানে বামে কোন কংক্রিট ঢালায় না হওয়ায় ভোগান্তি চরমরূপ ধারন করেছে এলাকাবাসির।আবার কুষ্টিয়া -ঝিনাইদহ সড়ক থেকে কাস্টম মোড় সড়কের মুখেও অনেকটা জায়গায় কংক্রিটের ঢালায় না দিয়ে লাপাত্তা ঠিকাদার কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া পৌরসভার চীফ ইন্জিনিয়ার মোঃ রবিউল সাহেবের সাথে যোগাযোক করলে তিনি জানান, “আমরা বারে ঠিকাদারকে অবশিষ্ট কাজ শেষ করার কথা ঠিকাদারকে জানালেও তিনি কর্ণপাত করছেন না।বরং একের পর তারিখ দিয়েও কথা রাখছেন না ঠিকাদার।”

আর ১৯ নং ওয়ার্ড কমিশনার মীর রেজাউল ইসলাম বাবু’র সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।তবে এলাকাবাসি ঈদের আগেই সড়কটির সম্পুর্ন সংস্কারের দাবি তোলেন। এবং অত্র এলাকাবাসি জানান আগামি ২৫ মে ২০১৯ তারিখের মধ্যে রাস্তার কাজ শেষ না কররে ঠিকাদার হাজ্বী নুরুল হকের বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থায় ক্ষতিপুরন চেয়ে মামলা করা হবে ও তার বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা