,

গভীর রাতে প্রেমিক জুটির মুক্তি, লক্ষ টাকায় ম্যানেজ!

শিমুল রেজা চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধিঃ জীবননগর পৌর এলাকার পুরাতন লক্ষীপুর ব্রীজ পাড়ায় সোমবার রাতে অসম প্রেমিক জুঁটিকে বেরসিক জনতা আটক করে থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে গভীর রাতে থানা থেকে ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় মুক্তি দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগে গ্রামবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

পুরাতন লক্ষীপুরের বিশিষ্ট চাতাল ব্যাবসায়ী লিটন খাঁর ছেলে নবম শ্রেণীর ছাত্র আহাদ (১৫) এর সাথে একই গ্রামের মতিয়ার রহমানের মেয়ে কলেজ পড়ুয়া তামান্নার (১৭) প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের টানে তাদের মধ্যে প্রায়ই গোপন অভিসার চলতে থাকে। একই ভাবে সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় তামান্নার বাড়িতে তারা গোপন অভিসারে মিলিত হলে প্রতিবেশী বেরসিক জনতা তাদেরকে ঘরের মধ্যে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন। মুহুর্তের মধ্যে ঘটনাকি গ্রামবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। একটি পক্ষ প্রভাবশালী পরিবারের অসম প্রেমিক আহাদকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে জনতার মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতা আনারুল বিশ্বাস ক্ষোভের সাথে বলেন, প্রেমিক আহাদ প্রভাবশালী পরিবারের হওয়ায় একটি জঘন্য অপরাধের সাথে প্রকাশ্যে জড়িত থাকলেও তাকে থানা থেকে গভীর রাতে ছাড়িয়ে নেয়ার এঘটনায় গ্রামবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি
হয়েছে। গরীব মানুষের ছেলে-মেয়ে যদি এভাবে ধরা পড়ত তাহলে কি পুলিশ ছাড়ত? আমরা শুনেছি এ প্রক্রিয়ায় লক্ষটাকার লেনদন করা হয়েছে। এলাকায় গুঞ্জন আছে তামান্নার মায়ের সাথে প্রেমিক আহাদের পিতা লিটন খাঁর সাথে অবৈধ সম্পর্ক আছে। পিতা পুত্রের একই পরিবারে অনৈতিক সম্পর্কের ব্যাপার টি নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন থাকার এক পর্যায়ে পুত্র আটক এবং থানা থেকে ম্যানেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গভীর রাতে ছাড়িয়ে নেয়ার ঘটনায় মানুষের মধ্যে প্রশাসন নিয়ে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এব্যাপারে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শেখ গনি মিয়া বলেন, ঘটনার ব্যাপারটি তদন্ত করা হয়েছে এবং তদন্তে ঘটনাটি মিথ্যা এবং সড়যন্ত বলে মনে হয়েছে। উদ্বর্তন কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে প্রেমিক জুঁটিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ম্যানেজ
প্রক্রিয়ার অভিযোগটি সত্য নয়। তবে অন্য কেউ ম্যানেজ প্রক্রিয়া করেছে কিনা তা আমার জানা নেই।

এ জাতীয় আরো সংবাদ


ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা